ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ? What is Cryptocurrency in Bengali 2022

অনেকেই জানেনা Cryptocurrency ki ? তাই আজকে আমি এই পোস্টটাতে বিস্তারিত ভাবে জানাব। প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি জন্ম হয় বিটকয়েন নামে ডিজিটাল মুদ্রা টি থেকে। জাপানের বাসিন্দা
SATOSHI NAKAMOTO নামে ব্যক্তি ২০০৮ সালে ক্রিপ্টোকারেন্সীর জন্ম দেয়। ভক্তিটি কে কোথায় থাকেন মানুষটি এখনো পর্যন্ত রহস্য হয়েআছেন।

আসলে,
ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো ডিজিটাল টাকা বা মুদ্রা এই মুদ্রা গুলোকে আমরা কেবল অনলাইন ইন্টারনেট পরিষেবার মধ্যেমে ব্যবহার ও লেনদেন করে থাকি।
তাই , এধরনের ক্রিপ্টো কয়েন গুলো কে DIGITAL Money বলে থাকি।

বর্তমানে যে কোনো মানুষ বাড়িতে বসেই নিমেষে নিজস্ব ক্রিপ্টো মুদ্রা তৈরি করতে পারে তাই একে Decentralized currency বলা হয়।

তাই, ভালো করে Analysis করে বিনয়ক করা দরকার
এই টোকেন গুলো দিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতা অনলাইনে লেনদেন বা ট্রেড করে থাকে।
ক্রিপ্টোকারেন্সীর গুলোর উপর Goverment এর কন্ট্রোল থাকে না।
কারণ, এই Crypto টোকেন গুলো কোনো এজেন্সী বা সরকার এর কোনো ভুমিকা না থাকায় এই ক্রিপ্টোকারেন্সী গুলো কে ভার্চুয়াল কারেন্সি , ডিসেন্ট্রালাইজেড কারেন্সি, ডিজিটাল মানি ইত্যাদি নামে পরিচিত।


Crypto কারেন্সী আমরা টাকার মতো হাতে ও পকেটে রাখতে পারি না এটা আমরা মোবাইল বা কম্পিউটার এর ডিজিটাল ওয়ালেট – এ জমা করে রাখি এটা আমরা অনলাইনে টাকার মতো
ব্যাবহার করতে পারি। কারণ এটা শুধু অনলাইনে এ ব্যাবহার করতে পারি ক্রিপ্টো কারেন্সী এখন অনেক দেশের কোম্পানি গুলি কেনাকাটায় পেমেন্ট হিসাবে ব্যাবহার করে থাকে।
অনেক ধনী ব্যক্তি Crypto Currency কে Support করে থাকেন | তার মধ্যে জনপ্রিয় ব্যক্তি হলেন Elon Musk

আরো পড়ুন –

Crypto Currency Ki ভাবে কাজ করে ?

ক্রিপ্টো কারেন্সী তে কোনো দেশের সরকারের ভুমিকা থাকেনা।
এই সব ক্রিপ্টো মুদ্রা ডাটা গুলো কোনো সরকার এবং এক ব্যাক্তির কাছে জমা থাকেনা অনেক গুলি Server জমা থাকে এটি ব্লকচেইন এর মাধমে কাজ করে।

What is Blockchain ব্লকচেন কি ?

ব্লকচেইন Blockchain এর আবিষ্কার করে একদল Group of researchers নামে কোম্পানি এই টেকনোলজি কে বিশ্ব দরবারে প্রদর্শন করে 1991 সালে | তখন এই Blockchain Technology টেকনোলজি কে ততো গুরত্ব দেওয়া হয়নি। তখন মানুষ এই টেকনোলজি ব্যবহার করতে পারিনি ফলে আস্তে আস্তে মানুষ ভুলে যায়। কয়েক বছর পর ২০০৮ সালে Satoshi Nakamoto এই টেকনোলজি কে বিটকয়েন এ ব্যবহার করেন তখন থেকে মানুষ এই টেকনোলজি ব্যাপারে জানতে পায় | 

কোনো ব্যক্তি ক্রিপ্টো মুদ্রা Buy ও Sell করলে এই ইনফরমেশন গুলো কোন একটি Server এ স্টোর না করে চেন এর মতো অনেক গুলি কম্পিউটার এর Server এ স্টোর করে রাখা হয়। এই ট্রানজেকশন গুলো যে কোনো ব্যক্তি দেখতে পারে কোনো একটি নাম্বার থেকে কত পরিমান কয়েন ট্রানজেকশন হচ্ছে। শুধু ব্যক্তি টির (Identy) নাম ঠিকানা টি দেখতে পারবেন না।

ক্রিপ্টো কারেন্সী হ্যাক বা স্ক্যাম করা সম্ভব ? (It is possible to Hack cryptocurrency?)

কোনো গভরমেন্টর কন্ট্রোল না থাকায় এই অনলাইন ক্রিপ্টো মুদ্রা গুলোকে কি হ্যাক করা সম্ভ। সাতোশি নাকামোতো এর দুটি উপায় বার করেন।

. এর ডাটা গুলোর রেকর্ড অনেক গুলি কম্পিউটারে ষ্টোর করে রাখাহয় এক হ্যাকার কে একসাথে অনেক গুলি কম্পিউটার কে হ্যাক করতে হবে সেটা কোনো হ্যাকার এর পক্ষে সম্ভব নয়।


. কোনো ব্যক্তি ক্রিপ্টো মুদ্রা কিনলে সে ট্রানজেকশন কে সফল করার জন্য পাজল বা অঙ্ক সল্ভ করতে হয় Satoshi Nakamoto জানেন কোনো ভালো হ্যাকার যদি একসাথে সব গুলি Server হ্যাক করতে পারলেও তার জন্য এটা করা অনেক কঠিন হয়ে ওঠ।

যারা এই অঙ্ক গুলো কে সল্ভ করে তাদের কে আমরা Miner বলে থাকি। এরা কোনো ট্রানজেকশন কে সফল ভাবে কমপ্লিট করলে কিছু পরিমান ক্রিপ্টো মুদ্রা দেওয়া হয়।
এই কাজ টি কোনো মানুষ না কম্পিউটার এর মাধ্যমে অটোমেটিক -ই হয়ে থাকে, আপনি এই মাইনিং ঘরে বসে কম্পিউটার এর মাধ্যমে করতে পারবেন।

কী ভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সী Buy ও Sell করবো ?

ক্রিপ্টো কারেন্সী ইনভেস্ট করার পদ্ধতি। কোনো জায়গা জমি কেনার সময় তৃতীয় ব্যক্তি বা দালালের মাধ্যমে কিনে থাকি, তেমনি ক্রিপ্টোকারেন্সী কেও আমরা Indrictly ব্রোকার এর মাধ্যমে কিনতে হয়। ভারত ও বাংলাদেশের বেস্ট ব্রোকার – CoinDcx ,Wazrix ,Binance

CoinDcx :- নতুন ইনভেস্টর জন্য খুবই ভালো (Upi ,Net Banking র মাধ্যমে টাকা জমা ও তোলা অনেক সহজ ) । আরেকটা ভালো খবর হাজার হাজার ক্রিপ্টো কারেন্সী গুলোর মধ্যে যে গুলি আসল ভেরিফিকেশন করে তারপর লিস্ট করে হয়। আপনি CoinDCX এ একাউন্ট খুলতে চান নিচে ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে |

ক্রিপ্টোকারেন্সী এর সুবিধা ও অসুবিধা ?

1। ক্রিপ্টো কারেন্সী এক ডিসেন্ট্রালাইট কারেন্সী এতে গভরমেন্ট এর কোনো ভুমিকা থাকেনা।
তাই সরকার কে কোনো প্রকার Charge দিতে হয় না।

2। ক্রিপ্টো কারেন্সী দিয়ে পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট হিসাবে ব্যবহার
করতে পারি।

3। আনলিমিটেড ট্রানজেকশন ক্রিপ্টো ট্রানজেকশন করার জন্য কোনো লিমিট ন্যা।

4। ফাস্ট ট্রানজেকশন , কোনো ব্যাঙ্ক এর মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন করলে ৩-৪ দিন সময় লাগতে পার। ক্রিপ্টো কারেন্সী তে ট্রানজেকশন করলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে হয়ে যায় জন্য অনেক কোম্পানি ক্রিপ্টো কে পেমেন্ট হিসাবে গ্রহণ করছেন।

ক্রিপ্টো ট্রানজেকশন অনেক সিকিউর কে কোথায় কত ট্রানজেকশন করেছ তার প্রমান জমা থাকে তার ফলে ফ্রড হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।

5। ক্রিপ্টো তে কিছু টাকা ইনভেস্ট করে ভবিষ্যৎতে আপনি কোটিপতি হতে পারেন।
উদাহরণ :- বিটকয়েন ,এথেরিয়াম ,শিবা ইনু।

Cryptocurrency Disadvantage ( অসুবিধা ):-

1। অন্যান্য পেমেন্ট এর তুলনায় ট্রানজেকশন ফিস অনেক বেশি।

2। যদি আপনারা ওয়ালেট ID পাসওয়ার্ড হারিয়ে গেলে সেটাকে ফরগেট করা অসম্ভব।

3। অনেক ব্যক্তি ক্রিপ্টো কারেন্সী ভালো করে Analysis না করে তার ফলে যে কোনো ক্রিপ্টো কয়েন এ ইনভেস্ট করে থাকে তার ফলে ফ্রড হওয়ার সম্ভবনা অনেক টা বেশি ।
সরকার এর কোনো সাপোর্ট না থাকায় কোন ফ্রড বা স্ক্যাম হলে সরকার কোন দায়িত্ব নেবেন না।

4।ক্রিপ্টো একটি ভার্চুয়াল মানি Block Chain এর মাধ্যমে কাজ করলেও ফ্রড হওয়ার সম্ভাবনা অনেক টাই বেশি আপনার জমা পুঁজির কিছু পরিমান ইনভেস্ট করবেন।

*আজকে আমরা কি কি শিখলাম*

আজকে আমরা জানলাম ক্রিপ্টো কারেন্সী ইতিহাস ও কি ভাবে ক্রিপ্টো কারেন্সী কাজ করে, সুবিদা ও অসুবিদা। কি ভাবে ক্রিপ্টো Buy ও Sell করবো।


আর, কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন,
আর্টিকেল টি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ.

1 thought on “ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ? What is Cryptocurrency in Bengali 2022”

Leave a Comment