ছত্রিশগড়ের রাস্তাঘাটে তৈরি হচ্ছে বিটকয়েন, দেখুন কিভাবে?

Cryptocurrency News: বিটকয়েন কিভাবে তৈরি হয় তা দেখার জন্য আপনাকে বেশি দূর যেতে হবে না । ছত্রিশগড় এই তৈরি হচ্ছে বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, ডগ কয়েন ইত্যাদি। শক্তিশালী কম্পিউটারের সাহায্যে ম্যাথামেটিক্স প্রবলেম সলভ করে  মাইনিং করা হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি

সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে এই  রাজ্যের কিছু লোকের কাছে 75 টিরও বেশি  বিটকয়েন আছে।  আর এর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রাজ্যের 12 টি জেলায় ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং করা হয়েছে।  যে গুলির মধ্যে – রায়পুর, রায়গর, বিলাসপুর, ভিলাই প্রমূখ। 

 30000 মেগাহার্জ কম্পিউটার ক্ষমতাসম্পন্ন ক্লিপ এর সাহায্যে বিটকয়েন ইত্যাদি করা হয়েছে।  এই  সেটাপ করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা লাগাতে হয়েছে এর পেছনে।  কিন্তু তাদের কথায় তারা যখন চার পাঁচ বছর আগে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং শুরু করেছিলেন তখন তারা মাত্র  খুব অল্প সংখ্যক জিপিইউ সাহায্য  স্টার্ট করেছিলেন। 

আর এখন এক একটা ক্রিপ্টো ময়নার এর কাছে 1500-1600  টি করে জিপিও আছে। আর এখন একেকটি জিপিইউ বাজারদর চলছে, যেগুলি ভালো ভালো ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং করতে সক্ষম তার দাম প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। 

20 -25  বছরের ছেলেরা করছে বিটকয়েন মাইনিং

এরাজ্যে 20-21  বছরের বয়সের ছেলেরা যাদের এখন কলেজে পড়ার সময় কিন্তু বয়সে ছেলেগুলি দেব বিটকয়েন মাইনিং করছে। আবার এদের মধ্যে এমন অনেক ছেলে আছে যারা দ্বাদশ  শ্রেণীর গণিত হতে পারেনি। 

কেমন ইনকাম করছে এরা?

500 টা জিপিও দিয়ে মাসে দুটি ইথেরিয়াম তৈরি হয়।  আর এখন একেকটি ইথেরিয়াম এর দাম চলছে প্রায় দেড় লাখের কাছাকাছি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে একটি ইথেরিয়াম এর দাম ছিল প্রায় 4 লাখ এর কাছাকাছি। 

একটি ক্রিপ্ত ময়নার এর কথায় –  “ব্লকচেইন টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে তৈরি ডিজিটাল কারেন্সি আমাদের ভবিষ্যৎ। যদি ছত্রিশগড় সরকার তাদের সাহায্য করে তাহলে তারা Blockchian Data Center and Exucation Center ছত্রিশগড়ে গড়ে তুলতে পারে। এর ফলে বহু মানুষ বিটকয়েন সম্পর্কে  জানতে পারবে আর তার থেকে উপকারিতাও লাভ করবে। 

2009 সালে জাপানের সাতোশি নাকামোতো হাত ধরে বিটকয়েনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এই বিটকয়েন টা এমন পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে যে এর মাইন এখনো 140  বছর পর্যন্ত চলবে। 2.10 কোটি বিটকয়েন তৈরি করা যাবে একজন বিটকয়েন মামাইনার কথায় প্রতি 10 মিনিটে একটি ব্লগ তৈরি হয়। 

আর এক একটি ব্লগ থেকে 50 টি করে বিট কয়েন পাওয়া যায়।  আর যত দিন যাচ্ছে এ বিটকয়েনে ম্যাথামেটিক্স প্রবলেম ততো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।  4 বছর আগে একটি ব্লগ থেকে যে পরিমাণ বিটকয়েন পাওয়া যেত চার বছর পর ঠিক তার অর্ধেক বিটকয়েন পাওয়া যাবে।  যেমন 2009 সালে 10 মিনিটে 50 টি বিটকয়েন মাইনিং করে তৈরি করা যেত কিন্তু আজ সেখানে 10 মিনিটে সুপারপাওয়ার কম্পিউটার ব্যবহার করে মাত্র 6.25 বিটকয়েন তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। 

Leave a Comment